সর্বশেষ

নতুন পে স্কেল

দাবী আদায়ে ডিসেম্বরে মহাসমাবেশে যাচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ২২:২০
দাবী আদায়ে ডিসেম্বরে মহাসমাবেশে যাচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা

সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ডিসেম্বর মাসে মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কমিশনকে দেওয়া আলটিমেটামের আগেই কর্মচারী নেতারা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। শনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কয়েক ডজন কর্মচারী সংগঠন অংশ নেয়। সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রাজধানীতে মহাসমাবেশ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।

 

কর্মচারী নেতারা জানান, কমিশনকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তারা স্পষ্ট করেছেন, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে কমিশন সুপারিশ জমা না দিলে কঠোর আন্দোলনে নামতে হবে। এ অবস্থায় ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ হবে আন্দোলনের প্রথম ধাপ।  

 

অর্থ উপদেষ্টা কমিশন গঠনের সময় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বর্তমান সরকারই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করবে। তবে সম্প্রতি তিনি জানান, নির্বাচিত সরকারই কমিশনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এ বক্তব্যে কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বিভিন্ন সংগঠন একজোট হয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়।  

 

পে কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সুপারিশ তৈরির কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। বর্তমানে একটি খসড়া তৈরির কাজ চলছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এই সপ্তাহে সচিবদের মতামত গ্রহণের পর কমিশন রিপোর্ট চূড়ান্তকরণের দিকে এগোবে।  

 

প্রসঙ্গত, গত জুলাইয়ের শেষ দিকে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে সভাপতি করে ২৩ সদস্যের জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠন করে সরকার। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিল, কমিশনের প্রথম সভার তারিখ থেকে ছয় মাসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। অর্থাৎ ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহের মধ্যে কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার কথা।  

 

কর্মচারী সংগঠনগুলো বলছে, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির কারণে বর্তমান বেতন কাঠামো আর যথেষ্ট নয়। নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন ছাড়া কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমানো সম্ভব নয়। তারা আশা করছেন, মহাসমাবেশের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে এবং দ্রুত নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে।  

 

সব মিলিয়ে, ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করবে। কমিশনের সুপারিশ জমা না হলে কর্মচারীরা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন নেতারা।

সব খবর

আরও পড়ুন

গণপরিষদ, সংবিধান সংস্কার ও ‘১৮০ কার্যদিবস’ নিয়ে বিভ্রান্তি

ভোটে জয় মানেই সরকার গঠন নয় গণপরিষদ, সংবিধান সংস্কার ও ‘১৮০ কার্যদিবস’ নিয়ে বিভ্রান্তি

বাজার অস্থিরতার মাঝেই ফের বাড়লো এলপিজি গ্যাসের দাম

১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৩৫৬ টাকা বাজার অস্থিরতার মাঝেই ফের বাড়লো এলপিজি গ্যাসের দাম

শেষ মুহুর্তে গোঁজামিলের বিতর্কিত প্রকল্প নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার

চাপ বাড়বে নির্বাচিত সরকারের ওপর শেষ মুহুর্তে গোঁজামিলের বিতর্কিত প্রকল্প নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার

দুদক সংস্কারে অন্তত সাত উপদেষ্টার আপত্তি: ড. ইফতেখারুজ্জামান

দুদক সংস্কারে অন্তত সাত উপদেষ্টার আপত্তি: ড. ইফতেখারুজ্জামান

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি একের পর এক সিদ্ধান্ত

দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ও ব্যয় নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি একের পর এক সিদ্ধান্ত

নির্বাচনে ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট চাওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনক

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর বিবৃতি নির্বাচনে ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট চাওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনক

বাংলাদেশে নির্বাচন: পর্দার আড়ালে কি এখনও শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে সেনাবাহিনী?

আল জাজিরার প্রতিবেদন বাংলাদেশে নির্বাচন: পর্দার আড়ালে কি এখনও শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে সেনাবাহিনী?

কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই বাংলাদেশে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ছে

রয়টার্সের প্রতিবেদন কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই বাংলাদেশে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ছে