সর্বশেষ
ক্ষমতার গদিতে আগুন; বেকায়দায় সরকার

বিএনপি ভাবিয়াছিল ক্ষমতা মানেই হরলিক্স, শান্তি, আর গদি ধুইয়া মুছিয়া বসিবার আয়োজন। লন্ডনের চা-কফি খাইতে খাইতে নেতা বলিয়াছিলেন, “দেশে ফিরিব, গদি লইব, আওমিলিগ নাই, বিরোধী নাই, শান্তির বাপকে হালকা কিছু দিয়া থুইয়া শান্তিতে থাকিব।” কিন্তু গদিতে বসিবার পর হইতে শান্তির দেখা আর মিলিতেছে না।

সরকার আশ্বাস দিলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন

জ্বালানি সংকটে চাপে সরবরাহ ব্যবস্থা সরকার আশ্বাস দিলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশেও। সরকার পরিস্থিতি মোকাবেলায় আশাবাদী অবস্থান নিলেও মাঠপর্যায়ে ভোগ্যপণ্য ও শিল্প খাতে চাপ বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি করে সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে উদ্যোগ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় স্পট মার্কেট থেকে বেশি দাম দিয়ে এলএনজি কিনছে সরকার। এপ্রিলের জন্য প্রয়োজনীয় এলএনজির সব কার্গো সরবরাহের নিশ্চয়তার কথা জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি ১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

সরকার দেশের ১১টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ আদেশ জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।
কোটি টাকার ঋণে খেলাপি হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ শতাংশে

এক বছরে ১১ শতাংশ বৃদ্ধি কোটি টাকার ঋণে খেলাপি হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ শতাংশে

দেশের ব্যাংকিং খাতে বড় অঙ্কের ঋণে খেলাপির হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কোটি টাকার বেশি ঋণসংবলিত অ্যাকাউন্টে খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ২০ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে এ হার ছিল ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের হার বেড়েছে ১১ দশমিক ৩০ শতাংশ।
লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে ১৮ বাংলাদেশি সহ ২২ অভিবাসীর মৃত্যু

২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জন উদ্ধার লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে ১৮ বাংলাদেশি সহ ২২ অভিবাসীর মৃত্যু

উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে সমুদ্রপথে যাত্রা করা একটি রাবারের নৌকায় ১৮ বাংলাদেশি সহ অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। গ্রিস উপকূলে উদ্ধার হওয়া জীবিত ২৬ জনের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি-এর বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
নির্বাচিত
বছরে ৪২ হাজার কোটি টাকার মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে হবে

শুল্কছাড়ের নামে শুভঙ্করের ফাঁকি বছরে ৪২ হাজার কোটি টাকার মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে হবে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত পাল্টা শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলা দিয়ে তৈরি পোশাক শুল্কমুক্তভাবে তাদের বাজারে প্রবেশাধিকার পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। তবে এর বিনিময়ে বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার কৃষিপণ্য কিনতে হবে। অর্থাৎ, শুল্কছাড়ের নামে আসলে বাংলাদেশের ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।
আঞ্চলিক দলবিহীন ভোটে মিইয়ে গেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণ

পাহাড়ে নেই নির্বাচনের আমেজ আঞ্চলিক দলবিহীন ভোটে মিইয়ে গেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণ

দেশের অন্য জেলাগুলোতে যখন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে প্রচার–প্রচারণা, পোস্টার–ব্যানার আর মিছিল–মিটিংয়ের পরিবেশ, তখন পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। এখানে নেই নির্বাচনী উত্তাপ, নেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। স্থানীয় ভোটার, সাংবাদিক ও নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাহাড়ে এবারের নির্বাচন অনেকটাই ‘পানসে’, আগ্রহহীন ও একতরফা হয়ে পড়েছে।
নারী ভোটারই ‘টার্গেট’, কিন্তু প্রার্থী তালিকায় উপেক্ষিত নারী নেতৃত্ব

নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব সংকটে সমালোচনা নারী ভোটারই ‘টার্গেট’, কিন্তু প্রার্থী তালিকায় উপেক্ষিত নারী নেতৃত্ব

দেশের মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেকের বেশি নারী। সংখ্যার বিচারে তারাই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ‘টার্গেট গ্রুপ’। অথচ প্রার্থী তালিকা ও নির্বাচনি প্রচারণার নেতৃত্বে নারীদের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কম—এমন বৈপরীত্যকে ঘিরে এবারের জাতীয় নির্বাচনে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে। নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর এই ‘উন্নাসিকতা’ কেবল প্রতীকী নয়, বরং নারীর নেতৃত্ব বিকাশের পথে কাঠামোগত বাধা তৈরি করছে।
জুলাই সনদ সম্পর্কে জানে না ৭৭% মানুষ, না বুঝেই গণভোটের পথে দেশ

আইআইডি জরিপে উদ্বেগজনক চিত্র জুলাই সনদ সম্পর্কে জানে না ৭৭% মানুষ, না বুঝেই গণভোটের পথে দেশ

বহুল আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের প্রক্রিয়া এগোলেও এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষেরই পরিষ্কার ধারণা নেই। একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদে কী আছে তা জানেন না। অর্থাৎ, যেই সনদের ওপর ভিত্তি করে আসন্ন গণভোট ও সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটি সম্পর্কে জনগণের বড় অংশই অন্ধকারে রয়েছে।
চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিনিয়োগে নতুন জোয়ারের যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, দেড় বছর পর তার কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন নেই। বরং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এখন সময় চাইছে, সম্মেলনের ফল পেতে ‘আরও অপেক্ষা’ করার যুক্তিতে আড়াল করা হচ্ছে ধারাবাহিক ব্যর্থতা। ২০২৪ সালের ৭–১০ এপ্রিল আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রস্তাব এলেও এরপর নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ধারা তৈরি হয়নি।
সব খবর
সরকার আশ্বাস দিলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন
জ্বালানি সংকটে চাপে সরবরাহ ব্যবস্থা সরকার আশ্বাস দিলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশেও। সরকার পরিস্থিতি মোকাবেলায় আশাবাদী অবস্থান নিলেও মাঠপর্যায়ে ভোগ্যপণ্য ও শিল্প খাতে চাপ বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি করে সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে উদ্যোগ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় স্পট মার্কেট থেকে বেশি দাম দিয়ে এলএনজি কিনছে সরকার। এপ্রিলের জন্য প্রয়োজনীয় এলএনজির সব কার্গো সরবরাহের নিশ্চয়তার কথা জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

শূন্য প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত
ইউনূসের মিথ্যে প্রতিশ্রুতির এক বছর পার শূন্য প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত

এবছরের ঈদের আগে নিজ দেশে ফেরার প্রতিশ্রুতি যা একসময় আশার আলো জ্বালিয়েছিল এক বছর পর এসে তা এখন রোহিঙ্গাদের কাছে ভেঙে পড়া স্বপ্নের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ কক্সবাজারের উখিয়ায় শরণার্থী ক্যাম্পে ইফতার অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২৬ সালের ঈদের আগেই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের চেষ্টা করা হবে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, সেই প্রতিশ্রুতি এখনো অধরাই রয়ে গেছে।