সর্বশেষ
গণতন্ত্রের চড়ুইভাতি ও একবিংশ শতাব্দীর মহাহাস্যকর মহড়া

বঙ্গদেশের পবিত্র সংসদ ভবন আজ আর নীতি-নির্ধারণের তপোবন নাই; উহা এখন এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ‘স্ট্যান্ড-আপ কমেডি’র রঙ্গমঞ্চে রূপান্তরিত হইয়াছে। যাহাকে এককালে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক বলিয়া গণ্য করা হইত, তথায় এখন দিবালোকে ‘সঙ-যাত্রা’র মহড়া চলিতেছে। ইহা যেন কোনো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নহে, বরং জি-বাংলার ‘মিরাক্কেল’ অনুষ্ঠানের এক বিশেষ রাষ্ট্রীয় সংস্করণ।

বিকল্প উৎসের খোঁজে মরিয়া সরকার

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা বিকল্প উৎসের খোঁজে মরিয়া সরকার

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফিলিং স্টেশনে প্রতিদিনই জ্বালানি নিতে দীর্ঘ লাইন। প্রতিদিনই বাকবিতণ্ডা এবং বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সরকার বলছে, আপাতত জ্বালানি সংকট নেই, তবে মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটছে না। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশও চাপের মুখে পড়েছে।
মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ

এটুআই প্রকল্পে অনিয়ম মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ

সরকারি সেবাকে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজ ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে পরিচালিত এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রকল্পে মবের প্রভাব খাটিয়ে পদ দখল, কর্মকর্তা অপসারণ এবং বেতন কয়েক গুণ বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রকল্পটিতে একাধিক অনিয়মের ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত একটি হলো—একজন সাবেক জুনিয়র কনসালট্যান্টের পদোন্নতি ও বেতন বৃদ্ধি।
জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল

বিএনএন এশিয়ার প্রতিবেদন জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্বাধীন পর্যবেক্ষক সংস্থা বিএনএন এশিয়া জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য পরিস্থিতি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। এ সময় সাংবাদিকরা শারীরিক হামলা, আইনি হয়রানি, ডিজিটাল হুমকি এবং রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন বলে সংস্থাটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচিত
বছরে ৪২ হাজার কোটি টাকার মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে হবে

শুল্কছাড়ের নামে শুভঙ্করের ফাঁকি বছরে ৪২ হাজার কোটি টাকার মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে হবে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত পাল্টা শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলা দিয়ে তৈরি পোশাক শুল্কমুক্তভাবে তাদের বাজারে প্রবেশাধিকার পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। তবে এর বিনিময়ে বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার কৃষিপণ্য কিনতে হবে। অর্থাৎ, শুল্কছাড়ের নামে আসলে বাংলাদেশের ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।
আঞ্চলিক দলবিহীন ভোটে মিইয়ে গেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণ

পাহাড়ে নেই নির্বাচনের আমেজ আঞ্চলিক দলবিহীন ভোটে মিইয়ে গেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণ

দেশের অন্য জেলাগুলোতে যখন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে প্রচার–প্রচারণা, পোস্টার–ব্যানার আর মিছিল–মিটিংয়ের পরিবেশ, তখন পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। এখানে নেই নির্বাচনী উত্তাপ, নেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। স্থানীয় ভোটার, সাংবাদিক ও নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাহাড়ে এবারের নির্বাচন অনেকটাই ‘পানসে’, আগ্রহহীন ও একতরফা হয়ে পড়েছে।
নারী ভোটারই ‘টার্গেট’, কিন্তু প্রার্থী তালিকায় উপেক্ষিত নারী নেতৃত্ব

নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব সংকটে সমালোচনা নারী ভোটারই ‘টার্গেট’, কিন্তু প্রার্থী তালিকায় উপেক্ষিত নারী নেতৃত্ব

দেশের মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেকের বেশি নারী। সংখ্যার বিচারে তারাই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ‘টার্গেট গ্রুপ’। অথচ প্রার্থী তালিকা ও নির্বাচনি প্রচারণার নেতৃত্বে নারীদের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কম—এমন বৈপরীত্যকে ঘিরে এবারের জাতীয় নির্বাচনে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে। নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর এই ‘উন্নাসিকতা’ কেবল প্রতীকী নয়, বরং নারীর নেতৃত্ব বিকাশের পথে কাঠামোগত বাধা তৈরি করছে।
জুলাই সনদ সম্পর্কে জানে না ৭৭% মানুষ, না বুঝেই গণভোটের পথে দেশ

আইআইডি জরিপে উদ্বেগজনক চিত্র জুলাই সনদ সম্পর্কে জানে না ৭৭% মানুষ, না বুঝেই গণভোটের পথে দেশ

বহুল আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের প্রক্রিয়া এগোলেও এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষেরই পরিষ্কার ধারণা নেই। একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদে কী আছে তা জানেন না। অর্থাৎ, যেই সনদের ওপর ভিত্তি করে আসন্ন গণভোট ও সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটি সম্পর্কে জনগণের বড় অংশই অন্ধকারে রয়েছে।
চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিনিয়োগে নতুন জোয়ারের যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, দেড় বছর পর তার কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন নেই। বরং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এখন সময় চাইছে, সম্মেলনের ফল পেতে ‘আরও অপেক্ষা’ করার যুক্তিতে আড়াল করা হচ্ছে ধারাবাহিক ব্যর্থতা। ২০২৪ সালের ৭–১০ এপ্রিল আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রস্তাব এলেও এরপর নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ধারা তৈরি হয়নি।
সব খবর