সর্বশেষ
পরিবেশ রক্ষায় তর্জনগর্জন, বাস্তবে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ঢাকা

বাংলাদেশে পরিবেশ রক্ষার প্রতিশ্রুতি বহুবার দেওয়া হলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মানুষ আশা করেছিল দূষণমুক্ত, সবুজ ও শান্ত একটি দেশের। নদীতে ডলফিন খেলবে, নগরবাসী ঘুম ভাঙবে পাখির কিচিরমিচিরে, মাটি-পানি প্লাস্টিকে দূষিত হবে না—এমন স্বপ্নই দেখানো হয়েছিল। কিন্তু দেড় বছর পর সেই স্বপ্ন রয়ে গেছে কাগজে-কলমে।

‘সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিকে পরিণত করেছে ইউনূস সরকার’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ‘সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিকে পরিণত করেছে ইউনূস সরকার’

গত দেড় বছরে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়েছে এবং কার্যত তাদের ‘দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে’ পরিণত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।
উন্নয়নে নজর নেই, তবু হুহু করে বাড়ছে বিদেশি ঋণ

অর্থনীতি ঝুঁকিতে উন্নয়নে নজর নেই, তবু হুহু করে বাড়ছে বিদেশি ঋণ

বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় কম হলেও বিদেশি ঋণ দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। বাজেট ঘাটতি পূরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় সরকার প্রকল্প ঋণের পরিবর্তে দ্রুত ছাড়যোগ্য বাজেট সহায়তা ঋণের ওপর নির্ভর করছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে টাকার অবমূল্যায়ন। ফলে মাত্র তিন বছরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
আফনানের মৃত্যুতে প্রশ্নবিদ্ধ ইউনূস সরকারের সীমান্ত ও নিরাপত্তা নীতি

সীমান্তে রক্ত, রাষ্ট্রে নীরবতা আফনানের মৃত্যুতে প্রশ্নবিদ্ধ ইউনূস সরকারের সীমান্ত ও নিরাপত্তা নীতি

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে “নতুন বাংলাদেশ”-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তা ক্রমেই এক অনিরাপদ, অগোছালো ও জবাবদিহিহীন শাসনে রূপ নিয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা থাকলেও ক্ষমতার ভেতরে নতুন নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে; প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো অস্পষ্ট, জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নে সিদ্ধান্তহীনতা প্রকট, আর কূটনীতিতে দৃঢ়তার বদলে আপসকামিতা দৃশ্যমান।
নির্বাচিত
আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে সংকটে বাংলাদেশ ক্রিকেট

ভুলের রাজ্যে বিসিবি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে সংকটে বাংলাদেশ ক্রিকেট

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সরাসরি সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নতুন নয়। তবে সেই হস্তক্ষেপকে সামাল না দিয়ে বরং ধারাবাহিক ভুল সিদ্ধান্তে ক্রিকেট প্রশাসনকে আরও গভীর সংকটে ফেলেছেন বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল—এমন অভিযোগ এখন বিসিবির ভেতর-বাইরের সংগঠকদের কণ্ঠে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহণের বছর

বাড়ছে ঋণফাঁদের শঙ্কা ২০২৪-২৫ অর্থবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহণের বছর

২০২৪-২৫ অর্থবছর বাংলাদেশের সরকারি ঋণ ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন অধ্যায় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই এক অর্থবছরেই দেশী ও বিদেশী উৎস থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা যা একক বছরে ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর ফলে দেশের মোট সরকারি ঋণের স্থিতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৫০ হাজার ৯০৪ কোটি টাকায়।
বিশ্বকাপ ব্যর্থতা আড়াল করতে আনা হলো ‘সাকিব কার্ড’

বিসিবি ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বিশ্বকাপ ব্যর্থতা আড়াল করতে আনা হলো ‘সাকিব কার্ড’

আইসিসির সিদ্ধান্তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের ছিটকে পড়া এটা শুধু একটি ক্রীড়াবিষয়ক ব্যর্থতা নয়, বরং দেশের ক্রিকেট পরিচালনা ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বড় ধরনের ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। ঠিক এমন মুহূর্তেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সামনে আনল বহুদিন দেশের বাইরে থাকা সাকিব আল হাসানকে আবার জাতীয় দলে ফেরানোর প্রসঙ্গ। এই ‘টাইমিং’ই স্পষ্ট করে দেয়, বিশ্বকাপ ব্যর্থতার চাপ সামলাতে বিসিবি সচেতনভাবেই খেলেছে ‘সাকিব কার্ড’।
চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিনিয়োগে নতুন জোয়ারের যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, দেড় বছর পর তার কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন নেই। বরং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এখন সময় চাইছে, সম্মেলনের ফল পেতে ‘আরও অপেক্ষা’ করার যুক্তিতে আড়াল করা হচ্ছে ধারাবাহিক ব্যর্থতা। ২০২৪ সালের ৭–১০ এপ্রিল আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রস্তাব এলেও এরপর নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ধারা তৈরি হয়নি।
বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা

বিদায় ২০২৫, স্বাগত ২০২৬ বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা

আরও একটি বছর ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো। ২০২৫ বিদায় নিল বাংলাদেশের জন্য এক গভীর অস্বস্তির স্মৃতি নিয়ে। এই বছরটি কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার নয়; বরং সামাজিক নিরাপত্তা, মানবাধিকার, অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক আস্থার একাধিক স্তরে সংকটের প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল। নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন কিছু প্রশ্ন, চ্যালেঞ্জ এবং গভীর শঙ্কাও।
সব খবর