English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
৭ চৈত্র ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
মহিলা পরিষদ
রবীন্দ্রনাথের চিত্রাঙ্গদা, টেনিসনের ‘দ্য প্রিন্সেস’ এবং আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলাদেশের নারীর অবস্থান
আজকের পৃথিবীতে নারীবাদ বলুন বা সামগ্রিক ভাবে মেয়েদের বিষয়ে যে কোন জরুরি আলাপ কিন্তু এখনো টেনিসন-রবীন্দ্রনাথদের ‘দ্য প্রিন্সেস-চিত্রাঙ্গদা’র আলেখ্য ঘিরেই আবর্তিত। কীভাবে? যেমন, নারীবাদের এ্যাংলো-স্যাক্সন স্কুলে যদিবা নারীর প্রতি সামাজিক শোষণ প্রধান আলোচ্য এবং নারীর সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জনই যদি মূল লক্ষ্য হয়ে থাকে, ফ্রেঞ্চ স্কুল অফ ফেমিনিজম বা নিউ ফ্রেঞ্চ ফেমিনিজমে নারীর যৌন অবদমন মূল আলোচ্য এবং নারীর যৌনমুক্তি অর্জন এ স্কুলের মূল লক্ষ্য।
দেড় দশকে সর্বনিম্ন মাত্র ৬৫ নারী প্রার্থী, এক-তৃতীয়াংশই পারিবারিক সূত্রে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলো মুখে নারী ক্ষমতায়নের কথা বললেও বাস্তব চিত্র বলছে সম্পূর্ণ উল্টো গল্প। এবারের নির্বাচনে ৭৮ জন নারী প্রার্থীর অংশগ্রহণ সংখ্যার দিক থেকে একটি নতুন লজ্জার রেকর্ড যা বলে দিচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে লিঙ্গসমতা এখনো অনেক দূরের পথ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যৎসামান্য উপস্থিতির মধ্যেও আবার গুণগত প্রতিনিধিত্বের চেয়ে ‘প্রতীকী অংশগ্রহণ’ বেশি, যেখানে নারীদের বড় অংশই নিজস্ব রাজনৈতিক সংগ্রামের বদলে পারিবারিক উত্তরাধিকার বা প্রভাবশালী পুরুষ রাজনীতিকের সম্পর্কের সূত্রে প্রার্থী হয়েছেন।
নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বাড়ছে
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশে নারী, কন্যাশিশু ও ধর্মীয়–জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। ২০২৪ সালের আগস্টের ‘বর্ষা বিপ্লব’-এর পর এটি হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন। তবে নির্বাচনপূর্ব এই পরিস্থিতি অন্তর্বর্তী সরকারের মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থতাকেই স্পষ্ট করে তুলছে বলে মনে করছে সংস্থাটি।
জুলাই চেতনা মানে যেন ‘নো উইমেন, নো ক্রাই’ গণতন্ত্র
জুলাইয়ের সহিংসতায় নারীদের রাখা হয়েছিল সামনের সারিতে—রাস্তায়, মিছিলে, সংঘাতে। অথচ সেই তথাকথিত আন্দোলনের রাজনৈতিক ফলাফল হিসেবে যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে, সেখানে নারীরাই অদৃশ্য। যেন তাদের ব্যবহার করে স্বার্থোদ্ধারের পর ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে। প্রশ্নটা তাই অনিবার্য, ভোটের মাঠে নারী কোথায়? রাজনৈতিক দলগুলো কি জুলাইয়ে দেয়া আশ্বাস রেখেছে?
ধর্ষণ বেড়েছে দ্বিগুণ হারে
বিদায়ী বছরটি ছিল নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের জন্য ভয়াবহ। ২০২৫ সালে ধর্ষণ ও পারিবারিক সহিংসতার মাত্রা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ষণের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছে কন্যাশিশুরা। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথাযথ নজরদারির অভাবেই এ ধরনের ঘটনা বেড়েছে। অপরাধীরা এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, তারা নারী ও শিশু কাউকেই রেহাই দেয়নি। অনেক ক্ষেত্রে ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভিকটিমকে হত্যা করা হয়েছে।
নারীবিদ্বেষী সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে, একে দমন করতে হবে
বাংলাদেশে নারীবিদ্বেষী সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার উদ্বেগজনক প্রবণতা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটি বলছে, সমাজে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা, মব সহিংসতা এবং নারীবিরোধী প্রচারণা নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা আরও বাড়িয়ে তুলছে। আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এসব কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস আজ
বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বাসা থেকে কর্মস্থল সব জায়গায় নারীরা নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা সবচেয়ে বেশি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি প্রকট সামাজিক বাস্তবতা। স্ত্রীকে শাসনের মাধ্যম হিসেবে সহিংসতার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বিদ্যমান পুরুষতান্ত্রিকতারই প্রতিফলন।
সুফিয়া কামালের সাধনাশক্তি
বাংলাদেশের নারী আন্দোলন, মানবাধিকার, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে বেগম সুফিয়া কামাল এক অনন্য উজ্জ্বল নাম। কবি পরিচয়ের ঊর্ধ্বে মানবিকতার পথিকৃৎ, প্রগতিশীল চেতনার আলোকবর্তিকা এবং নিপীড়িত মানুষের সত্যকথার নির্ভীক কণ্ঠ ছিলেন তিনি। ২০ নভেম্বর ছিল তাঁর প্রয়াণদিন। আমরা স্মরণ করি তাঁর অদম্য সাধনাশক্তি, সংগ্রামী জীবন ও মানবমুক্তির প্রতি আজীবন নিবেদিত মননচর্চাকে।
অক্টোবরে দেশে ২৩১ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার
চলতি বছরের অক্টোবরে সারাদেশে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপপরিষদ ১৫টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে একটি পরিসংখ্যান তৈরি করেছে, যেখানে দেখা যায় মাত্র এক মাসে ২৩১ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৩০ জন প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও ১০১ জন কন্যাশিশু।
সরাসরি আসনে ৫ শতাংশেও ইসলামপন্থি দলগুলোর ‘অনীহা’
বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে সংসদীয় রাজনীতি পর্যন্ত নারীদের উপস্থিতি বেড়েছে দৃশ্যত। তবু সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলো এখনও যথেষ্ট আন্তরিক নয়—এমন অভিযোগ তুলছেন নারী অধিকারকর্মীরা।
পাতা 1 এর 2.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি