English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২২ মাঘ ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
সংবাদপত্র
গণমাধ্যম কমিশন ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের ‘বিদায়ী পরিহাস’
খসড়া ‘জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’ ও ‘সম্প্রচার কমিশন’ অধ্যাদেশকে দেশে মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সম্প্রচার বিকাশের প্রত্যাশার পরিপন্থী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ‘বিদায়ী পরিহাস’ হিসেবে অভিহিত করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির অভিযোগ, দীর্ঘদিনের সংস্কার দাবি উপেক্ষা করে সরকার তড়িঘড়ি করে এমন দুটি নিয়ন্ত্রণমূলক কাঠামো আনতে চাইছে, যা গণমাধ্যম খাতে আমলাতান্ত্রিক প্রভাব আরও বাড়াবে।
আরো একটি কালো আইন আনছে অন্তর্বর্তী সরকার
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই দ্রুতগতিতে আনা হচ্ছে নতুন ‘সম্প্রচার অধ্যাদেশ, ২০২৬’। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া আইনে সম্প্রচার–সংক্রান্ত অপরাধের বিচার মাত্র ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে এবং এজন্য গঠন করা হবে এক বা একাধিক ‘সম্প্রচার ট্রাইব্যুনাল’। তবে আইনটির নানা ধারা নিয়ে গণমাধ্যমকর্মী, অধিকারকর্মী ও নীতিনির্ধারক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
গণমাধ্যম সম্মিলনে ঐক্যের ডাক, সাংবাদিক সুরক্ষার জোরালো দাবি
স্বাধীন ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশের গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির জন্য অপরিহার্য—এমন অভিমত ব্যক্ত করে সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমের প্রকাশক, সম্পাদক ও সাংবাদিকরা। তারা বলেছেন, স্বাধীন গণমাধ্যম কারও শত্রু নয়; বরং এটি সরকারকেই সত্য বলার সুযোগ করে দেয়। কিন্তু সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন, রাজনৈতিক প্রভাব এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে গণমাধ্যম আজ সংকটে পড়েছে।
সহিংস-সংস্কৃতি ও নীরবতার রাজনীতি
২০২৫ সাল বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য ছিল এক অস্বস্তিকর সময়। এই বছরটি যেমন শিল্প–সৃজনের কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে, তেমনি একই সঙ্গে উন্মোচিত করেছে একটি গভীর সংকট। যেখানে সংস্কৃতি, মতপ্রকাশ ও বহুত্ববাদ ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। বছর শেষে ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয় এটি কেবল শিল্পের হিসাব নয়; এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও নৈতিক অবস্থানের এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার বছর।
প্রথম আলো–ডেইলি স্টার–ছায়ানটে হামলা সরকারের কোনো না কোনো অংশ ঘটতে দিয়েছে: নূরুল কবীর
দেশের শীর্ষ সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয় এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা সরকারের কোনো না কোনো অংশের নিষ্ক্রিয়তা বা মদদ ছাড়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর। তিনি বলেন, এসব হামলার বিষয়ে আগেই প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তবু সরকার তা প্রতিরোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের সহযোগিতা করেছে সরকার: আনু মুহাম্মদ
রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ অভিযোগ করেছেন, দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো, ছায়ানট ও উদীচীর ওপর হামলার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা প্রমাণ করে যে সরকার হামলাকারীদের সহযোগিতা করেছে বা পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে।
ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ইত্তেফাক
বাংলাদেশের সংবাদপত্র ইতিহাসে এক অনন্য নাম দৈনিক ইত্তেফাক। ১৯৫৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশের পর থেকে আজ পর্যন্ত ৭৩ বছরের পথচলায় পত্রিকাটি বহুবিধ ঝড়-ঝঞ্ঝা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, দমন-পীড়ন এবং নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করেছে। ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত প্রেক্ষাপট, পূর্ব পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক নীতি এবং স্বাধীনতার সংগ্রাম—সবকিছুর মধ্যেই ইত্তেফাক ছিল নির্ভীক কণ্ঠস্বর।
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি