English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বুধবার, ৬ মে ২০২৬
২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
জাতীয় সংসদ
নগদের স্রোত, আটক নেতা–কর্মী, ফলাফলে কতটা প্রভাব?
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ঠিক আগের রাত যা নির্বাচনি ভাষায় ‘সাইলেন্ট পিরিয়ড’ নামে পরিচিত, সেই সময়েই দেশের বিভিন্ন জেলায় নগদ অর্থ বিতরণের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নির্বাচনি মাঠ। বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিংবা নির্দিষ্ট ভোটার গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে টাকা দেওয়ার চেষ্টা, গাড়িতে করে বিপুল পরিমাণ নগদ পরিবহন, এমনকি হাতেনাতে আটক হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে একাধিক স্থানে। প্রশাসন বলছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেড় দশকে সর্বনিম্ন মাত্র ৬৫ নারী প্রার্থী, এক-তৃতীয়াংশই পারিবারিক সূত্রে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলো মুখে নারী ক্ষমতায়নের কথা বললেও বাস্তব চিত্র বলছে সম্পূর্ণ উল্টো গল্প। এবারের নির্বাচনে ৭৮ জন নারী প্রার্থীর অংশগ্রহণ সংখ্যার দিক থেকে একটি নতুন লজ্জার রেকর্ড যা বলে দিচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে লিঙ্গসমতা এখনো অনেক দূরের পথ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যৎসামান্য উপস্থিতির মধ্যেও আবার গুণগত প্রতিনিধিত্বের চেয়ে ‘প্রতীকী অংশগ্রহণ’ বেশি, যেখানে নারীদের বড় অংশই নিজস্ব রাজনৈতিক সংগ্রামের বদলে পারিবারিক উত্তরাধিকার বা প্রভাবশালী পুরুষ রাজনীতিকের সম্পর্কের সূত্রে প্রার্থী হয়েছেন।
গণপরিষদ, সংবিধান সংস্কার ও ‘১৮০ কার্যদিবস’ নিয়ে বিভ্রান্তি
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বাস্তবতা সামনে এসেছে। ভোটে জয়লাভ করলেই সরাসরি সরকার গঠন নয়, বরং প্রথমে গঠিত হবে একটি ‘গণপরিষদ’ বা ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’। এই কাঠামোর মাধ্যমে নতুন সংবিধান প্রণয়ন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি এবং অন্তর্বর্তী সময়ে নেওয়া বিচার ও আইনি সিদ্ধান্তগুলোর বৈধতা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে দেশের শাসনব্যবস্থা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের গণভোট বানচালের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গণভোট একটি ষড়যন্ত্রমূলক ব্যবস্থা, যা দেশের শাসনব্যবস্থাকে বিপন্ন করতে পারে। জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি দেশের মানুষকে বলছি এই গণভোট বানচাল করুন। ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে দেশে কার্যকর শাসনব্যবস্থা থাকবে না।”
মোট প্রার্থীদের ৪৫ শতাংশ এবং বিএনপির ৮৩ শতাংশই কোটিপতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের সম্পদসংক্রান্ত চিত্র বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে এক গভীর কাঠামোগত সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯১ জন, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। শতকোটির বেশি সম্পদের মালিক প্রার্থী আছেন অন্তত ২৭ জন।
শতকরা ৮ ভাগ কারাবন্দীও ভোটদানে আগ্রহী নয়
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাগারে থাকা বন্দিদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হলেও আগ্রহ দেখিয়েছেন অল্প কয়েকজন। কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৭৫টি কারাগারে থাকা মোট ৮৪ হাজার ৪০০ বন্দির মধ্যে মাত্র ৬,২৪০ জন ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। বাকি ৭৮ হাজার ১৬০ জন কোনো নিবন্ধন করেননি।
ভোটে নারী প্রার্থী মাত্র ৪ শতাংশ হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা আশানুরূপ না হওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়নবিষয়ক ৭১টি সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’। প্ল্যাটফর্মটির মতে, নির্বাচনি রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ অত্যন্ত কম, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের পথে বড় অন্তরায়।
নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক মানে সবার অংশগ্রহণ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান ড. ইভারস আইজাবস বলেছেন, “অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে সবার অংশগ্রহণকে বোঝায়।” তবে গণভোট আয়োজন বা তা পর্যবেক্ষণ ইইউর ম্যান্ডেটের বাইরে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইইউ কেবল সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
নির্বাচনে জাতীয় পার্টি, জেপি ও এনডিএফ প্রার্থীদের প্রার্থিতা কেন বাতিল নয়
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের), জাতীয় পার্টির (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফ) প্রার্থীদের প্রার্থিতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
জুলাই চেতনা মানে যেন ‘নো উইমেন, নো ক্রাই’ গণতন্ত্র
জুলাইয়ের সহিংসতায় নারীদের রাখা হয়েছিল সামনের সারিতে—রাস্তায়, মিছিলে, সংঘাতে। অথচ সেই তথাকথিত আন্দোলনের রাজনৈতিক ফলাফল হিসেবে যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে, সেখানে নারীরাই অদৃশ্য। যেন তাদের ব্যবহার করে স্বার্থোদ্ধারের পর ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে। প্রশ্নটা তাই অনিবার্য, ভোটের মাঠে নারী কোথায়? রাজনৈতিক দলগুলো কি জুলাইয়ে দেয়া আশ্বাস রেখেছে?
« প্রথম
আগের
পাতা 3 এর 4.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি