English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
ভোট
নির্বাচন ঘিরে সহিংসতায় গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে আসকের তীব্র উদ্বেগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই দেশের রাজনৈতিক মাঠ রূপ নিচ্ছে সংঘাত ও সহিংসতার অঙ্গনে। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে, জানুয়ারি মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। এক মাসেই সারাদেশে ৭৫টি সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন নিহত এবং ৬১৬ জন আহত হয়েছেন যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
ভোট কেনার পরিকল্পনায় বিএনপি–জামায়াতের তৎপরতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ১০ দিন বাকি থাকতেই রাজধানীর বিভিন্ন বস্তিতে ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহের হিড়িক নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী–পরিচয়ে আসা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব ব্যক্তিগত তথ্য নিচ্ছেন, যা অনেকের কাছে সম্ভাব্য ভোট কেনা বা প্রভাবিত করার কৌশল বলে মনে হচ্ছে।
লেবাসের লীলাখেলা: জামায়াতের জান্নাতি জিঙ্গেল
বাংলাদেশে যখন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা তাহাদের ঈমান রক্ষার্থে রোজা রাখেন, তাহাদের ভোট রক্ষার্থে জামায়াত রাখে ফতোয়া। এই দলটি ইসলামের ঝান্ডা হাতে ধরিয়া এমনভাবে হাঁটে, যেন তাহারা নবীজির উত্তরাধিকারী অথচ পেছনে লেবাসের পুটলি খুলিয়া স্বার্থের সিঁড়ি বানায়।
আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে
বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত সংবেদনশীল। সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বড় দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ইউনূস সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দিচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের কোন প্রচেষ্টা নেই। ফলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
আপিলের প্রথম দিনে ৫১ জনের প্রার্থিতা ফিরল, একজনের বাতিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র বাতিল ও বৈধতা নিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানির প্রথম দিনেই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে প্রার্থী তালিকায়। শনিবার (১০ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত শুনানিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে ৫১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। অন্যদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তা যাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন—এমন একজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটারদের ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সুষ্ঠু ভোটের স্বপ্ন বনাম জনমনের শঙ্কা
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে এগোতে গিয়ে জনমনে এক অদৃশ্য, কিন্তু স্থির অস্থিরতার ছাপ দেখা দিয়েছে। নাগরিকরা ভোটার হতে চাইলেও সেই সঙ্গে ভীত—“ভোট দিতে যাওয়ার সময় মবের শিকার হবো কিনা?”—এমন প্রশ্নের উত্তর এখনও অনিশ্চিত। নাগরিক প্ল্যাটফরম, বাংলাদেশের আহ্বায়ক এবং অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য উল্লেখ করেছেন, নির্বাচন এখন একটি অবধারিত বিষয় হলেও গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে শঙ্কা কাটছে না।
ডিজিএফআইয়ের হেডকোয়ার্টার ভেঙে দেওয়ার হুশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
গোয়েন্দা সংস্থা ও গণমাধ্যমের তীব্র সমালোচনা করে ডিজিএফআইয়ের হেডকোয়ার্টার ভেঙে দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে একটি গোয়েন্দা সংস্থা আছে—ডিজিএফআই। তারা আমাদের পকেটের টাকায় চলে, কিন্তু কত টাকা খরচ করে তা জনগণ জানে না। তাদের কোনো দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি বা স্বচ্ছতা নেই; শুধু মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে এবং ‘আয়নাঘরে’ তুলে নেয়। আমরা আয়নাঘর ভেঙে দিয়েছি। আবার চেষ্টা করলে হেডকোয়ার্টারও ভেঙে দেব।”
রাজনৈতিক দলের অনাগ্রহের সমালোচনা, নারীর জন্য আসন বৃদ্ধি ও সরাসরি নির্বাচনের আহ্বান
প্রথম আলোর আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে নারী অধিকারকর্মীরা সংসদে নারীর সরাসরি নির্বাচনের দাবি জানান। রাজনৈতিক দলগুলোর ৫ শতাংশ সংরক্ষণের প্রস্তাবকে “হাস্যকর” ও “দয়া-দাক্ষিণ্য” আখ্যা দিয়ে বক্তারা আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৪০০ করার এবং ১৫০টি নারী সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব দেন। বিদ্যমান মনোনয়ননির্ভর ব্যবস্থাকে নারীর ক্ষমতায়নের পথে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি ভোটে রাজনৈতিক দলগুলোর অনাগ্রহ
সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি ভোটের দাবিতে নারী অধিকারকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করলেও রাজনৈতিক দলগুলোর অনাগ্রহে প্রস্তাব বাস্তবায়ন হয়নি। দুটি সংস্কার কমিশন ৫০ থেকে ১০০ আসন বাড়িয়ে সরাসরি নির্বাচনের প্রস্তাব দিলেও দলগুলো আপত্তি তোলে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন শেষ পর্যন্ত ধাপে ধাপে নারী প্রার্থী মনোনয়ন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, ২০৪৩ সাল পর্যন্ত ৫০ আসন বহাল রেখে। নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলানো ছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়।
পাতা 1 এর 2.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি