বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো আইন মানতে ব্যর্থ হয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার জেসমিন টুলি। তার মতে, দলগুলো আইনকে নিজেদের সুবিধামতো ব্যবহার করে, কিন্তু যখন আইন তাদের বিপক্ষে যায় তখন তা মানতে চায় না। এই প্রবণতা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জেসমিন টুলি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারেনি। তারা ক্ষমতায় থাকাকালে আইনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে, আর বিরোধী অবস্থায় থাকলে আইনকে অস্বীকার করে। এর ফলে জনগণের আস্থা কমে যায় এবং গণতন্ত্র দুর্বল হয়। তিনি মনে করেন, আইনকে সম্মান করার সংস্কৃতি ছাড়া গণতন্ত্র টেকসই হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন সময় সুপারিশ করা হলেও রাজনৈতিক দলগুলো তা গ্রহণ করেনি। বরং নিজেদের সুবিধামতো কমিশনের ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা করেছে। তার ভাষায়, “আসলে বড় কোনো সংস্কার হয়নি।”
বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, কমিশনকে রাজনৈতিক চাপ থেকে মুক্ত করা না গেলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। জেসমিন টুলির মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও স্পষ্ট করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর আইন না মানার প্রবণতা শুধু নির্বাচন নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও দেখা যায়। দলগুলো ক্ষমতায় থাকাকালে আইনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে, আর বিরোধী অবস্থায় থাকলে আইনকে অস্বীকার করে। এর ফলে জনগণের আস্থা কমে যায় এবং গণতন্ত্র দুর্বল হয়।
জেসমিন টুলি মনে করেন, আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে না পারলে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থে আইনকে ব্যবহার করবে। এতে জনগণের আস্থা হারাবে এবং গণতন্ত্র আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে আইন মানার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।