English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২২ মাঘ ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
বাণিজ্য
নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউনূস সরকারের ‘গোপন’ শুল্ক চুক্তি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় শুল্ক চুক্তি সই করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে ব্যবসায়ী ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন ও উদ্বেগ বাড়ছে। আগামী সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে চুক্তি স্বাক্ষরের কথা থাকলেও এর খসড়া ও শর্তাবলি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে বাস্তবায়নের দায় নিতে হলেও জনপরিসরে চুক্তির প্রকৃত প্রভাব নিয়ে কোনো স্পষ্টতা নেই।
ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি চুড়ান্ত
দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি (ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট বা এফটিএ) চূড়ান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, এই চুক্তিকে গোটা বিশ্ব ‘সব চুক্তির জননী’ বলে অভিহিত করছে।
বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতা
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) বাংলাদেশের জন্য আগামী দুই বছরে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতাকে চিহ্নিত করেছে। সংস্থাটির প্রকাশিত গ্লোবাল রিস্কস রিপোর্ট ২০২৬-এ বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এই ঝুঁকিই সবচেয়ে গুরুতর হবে।
ভারত বয়কটের ডাক দিয়ে ভারত থেকে আমদানি বেড়েছে সবচেয়ে বেশি
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারত-বিরোধী স্লোগান নতুন কিছু নয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকার ও তাদের অংশীজনদের রাজনৈতিক বক্তব্যে ভারত-বিরোধিতা যেন বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। রাজনৈতিক বক্তৃতায় ভারতকে দায়ী করা হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীণ নানা সংকটের জন্য। সীমান্ত হত্যা থেকে শুরু করে বাণিজ্য বৈষম্য—সব কিছুর বিরুদ্ধেই জনসমক্ষে তীব্র সমালোচনা করা হচ্ছে।
রপ্তানি কমতে কমতে ঋণাত্মক ধারায় চলছে দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি
চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশের রফতানি খাত নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মুখে পড়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রফতানি হয়েছে ২৩.৯৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৪.৫৩ বিলিয়ন ডলার। এ হিসেবে রফতানি কমেছে ২.১৯ শতাংশ।
“শেখ হাসিনা কি ভারতের আজ্ঞাবহ না ভারতবিরোধী?”
বাংলাদেশের রাজনীতির মঞ্চে আজ এক অদ্ভুত নাটক চলিতেছে। একদল সমালোচক বলিতেছে শেখ হাসিনা ভারতের আজ্ঞাবহ; অপরদল বলিতেছে তিনি ছিলেন ভারতের চোখে চোখ রাখিয়া দাঁড়াইবার একমাত্র সাহসী নেতা। সত্য কথা হইল, উভয় পক্ষই আংশিক সত্য বলিতেছে, আবার উভয় পক্ষই আংশিক মিথ্যা বলিতেছে। কারণ হাসিনার কূটনীতি ছিল এমন এক জাদুকরী নাটক, যেখানে ভারত হাসে, চীন হাসে আর বাংলাদেশের অর্থনীতি নিরবে বিকশিত হয়।
রপ্তানি আয়ে টানা চার মাস ধরে পতন অব্যাহত
বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে পতন অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ নভেম্বর মাসেও রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত বছর নভেম্বরের তুলনায় এ বছর একই মাসে রপ্তানি কমেছে ২৩ কোটি ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যা প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এ নিয়ে টানা চার মাস ধরে রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি চলছে।
সৈয়দপুর থেকে পোশাক রফতানি অর্ধেকে নেমেছে
নীলফামারীর বাণিজ্যিক উপজেলা সৈয়দপুরের রপ্তানিমুখী ক্ষুদ্র গার্মেন্টস শিল্প বড় সংকটে পড়েছে। ভারত সরকার স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পোশাকসহ সাত ধরনের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় এখানকার ঝুটভিত্তিক পোশাক রফতানি অর্ধেকে নেমে গেছে। ফলে হাজারো শ্রমিক ও উদ্যোক্তা আর্থিক বিপাকে পড়েছেন।
শুল্কের চাপ ও বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতার ধাক্কায় পোশাক খাতজুড়ে উদ্বেগ
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে টানা তিন মাস ধরে রপ্তানি কমতির দিকে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতে প্রবৃদ্ধি থাকলেও আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে পরপর রপ্তানি কমেছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, বৈশ্বিক শুল্ক চাপ, ক্রেতাদের অর্ডার কমে যাওয়া এবং প্রতিযোগী দেশের আগ্রাসী বাজার দখলের কারণে এই ধীরগতি আরও দুই থেকে তিন মাস স্থায়ী হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০০ কোটি ডলারের সয়াবিন কিনছে বাংলাদেশের তিন শিল্প প্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশের তিনটি বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান—মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, সিটি গ্রুপ এবং ডেল্টা অ্যাগ্রোফুড ইন্ডাস্ট্রিজ—এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০০ কোটি ডলারের সয়াবিন আমদানির জন্য ‘লেটার অব ইন্টেন্ট’ (এলওআই) সই করেছে। এর মধ্যে মেঘনা গ্রুপ একাই ১০ লাখ টন সয়াবিন বীজ আমদানি করবে, যা মোট আমদানির প্রায় অর্ধেক।
পাতা 1 এর 2.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি