English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২২ মাঘ ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
পাকিস্তান
বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌবহর, ঢাকা দখলের লড়াই তীব্র; দেশজুড়ে মুক্তিবাহিনীর বিজয় অগ্রযাত্রা
বিজয়ের প্রাক্কালে ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১। একদিকে মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর ঢাকামুখী অভিযান গতি পাচ্ছিল, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলছিল তীব্র টানাপোড়েন। দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনী ক্রমশ প্রতিরোধ হারাচ্ছিল; একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–সোভিয়েত–চীনকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক কূটনৈতিক মঞ্চে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।
পালাতে থাকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, কূটনৈতিক চাপ ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনায় উত্তাল এক দিন
১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর—বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক সন্ধিক্ষণ। রণাঙ্গনে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সর্বাত্মক অগ্রযাত্রা, কূটনৈতিক ক্ষেত্রের দ্রুত পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক পরাশক্তির স্নায়ুযুদ্ধে উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয়ের পথ প্রায় নিশ্চিত হয়ে ওঠে এই দিনে।
রণাঙ্গনে বিজয়ের অগ্রযাত্রা, পাকিস্তানি বাহিনীর পতন অনিবার্য
বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের অষ্টম দিন। স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ছিল বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের এই দিনে পূর্বাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম কর্মকৌশল—সব রণাঙ্গনে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর অভূতপূর্ব অগ্রযাত্রায় দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনারা। একের পর এক জেলা হানাদারমুক্ত হয়, ভেঙে পড়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর যোগাযোগ, রসদ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। পুরো দেশজুড়ে বিজয়ের লাল-সবুজ ছায়া স্পষ্ট হতে থাকে।
বাংলাদেশকে ভারত ও ভুটানের স্বীকৃতি, রণাঙ্গনে দিশাহারা পাকিস্তান
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী। এদিন প্রথমবারের মতো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় ভারত ও ভুটান। একই দিনে রণাঙ্গনে পাকিস্তানের পরাজয়ের সূচনা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পাল্টে যায় কূটনৈতিক সমীকরণ।
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে তুমুল গোলাগুলি
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। উভয় দেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে কয়েক ঘণ্টা ধরে এ গোলাগুলি চলে।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থী ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা বাড়াচ্ছে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়
যুক্তরাজ্যের নতুন অভিবাসন নীতি ও কঠোর নজরদারির কারণে দেশটির একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থী ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা বা সীমিতকরণ নীতি চালু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বলছে এটি বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ নয়; বরং যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কঠোর নির্দেশনা মেনে চলার অংশ।
স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে বাঙালি, বিশ্বরাজনীতির ময়দানে পাকিস্তানের পতন
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর এসে বাঙালি তখন স্বাধীনতার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। দেশের মুক্তাঞ্চল ক্রমে বিস্তৃত হচ্ছে, দখলমুক্ত এলাকায় উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা। মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্বার অগ্রযাত্রায় পাকিস্তানি দখলদারদের প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত ভেঙে পড়ছে। যুদ্ধের বাস্তবতা বদলে যেতে থাকায় বিশ্বরাজনীতির মাঠেও পাকিস্তান দিন দিন বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে।
৪ ডিসেম্বর ১৯৭১: বিজয়ের পথে মুক্তিযুদ্ধের মোড় ঘোরানো এক দিন
মুক্তিযুদ্ধের এই দিনের তাৎপর্য ইতিহাসে বিশেষভাবে উজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের পথে মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্বার অগ্রযাত্রা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। একাত্তরের এই দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল মুক্ত হতে শুরু করে। বিজয়ের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে আকাশে-বাতাসে যা যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের আরও অপ্রতিরোধ্য করে তোলে।
আইএমএফ-এর ঋণ নিশ্চিত করতে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স বিক্রির পথে
পাকিস্তান আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার (আইএমএফ)-এর কাছ থেকে নতুন ঋণ পেতে সরকারি বিমানসংস্থা পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ) বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘদিন লোকসানে চলা এই সংস্থাকে বেসরকারিকরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ কমাতে চাইছে ইসলামাবাদ। তবে এ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে যে, ঘুরপথে সংস্থাটির মালিকানা পাক সেনার হাতে চলে যেতে পারে।
দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সহযোগিতার আশ্বাস নরেন্দ্র মোদীর
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা জেনে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, যিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশের জনজীবনে অবদান রেখেছেন। তার দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য আমাদের প্রার্থনা ও শুভকামনা। যেকোনোভাবে পারি, সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দিতে ভারত প্রস্তুত।”
« প্রথম
আগের
পাতা 2 এর 5.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি