English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
মুক্তিযুদ্ধ
শহীদ মিনারে জুতা পায়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীসহ নেতাকর্মীরা
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জুতা পায়ে নির্বাচনী সমাবেশ করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মারুফ শেখ ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে।
নিরাপত্তা পরিষদে ফের সোভিয়েত ভেটো, দেশজুড়ে সম্মিলিত মুক্তাঞ্চল বিস্তার
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ৭ ডিসেম্বর দিনটি রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামরিক-সব ক্ষেত্রেই ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদিন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বেতার ভাষণে ঘোষণা দেন ঢাকা মুক্ত হতে আর বেশি দেরি নেই। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এখন দিবালোকের মতোই সত্য। বঙ্গবন্ধুও শিগগির দেশের মাটিতে ফিরে আসবেন।”
একদিনে ২৫৩ জনকে হত্যা, দেখিয়ে দিয়েছিল রাজাকাররা
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার চারটি গ্রামে সংঘটিত হয়েছিল ভয়াবহ গণহত্যা। স্থানীয় রাজাকার ও আলবদরদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনারা বিনোদবাড়ি, মানকোন, দড়িকৃষ্ণপুর ও কাতলসা গ্রামে নারী-শিশুসহ ২৫৩ জনকে একদিনে হত্যা করে। অন্তঃসত্ত্বা নারী থেকে শুরু করে শিশু পর্যন্ত কেউ রক্ষা পায়নি।
বাংলাদেশকে ভারত ও ভুটানের স্বীকৃতি, রণাঙ্গনে দিশাহারা পাকিস্তান
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী। এদিন প্রথমবারের মতো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় ভারত ও ভুটান। একই দিনে রণাঙ্গনে পাকিস্তানের পরাজয়ের সূচনা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পাল্টে যায় কূটনৈতিক সমীকরণ।
স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে বাঙালি, বিশ্বরাজনীতির ময়দানে পাকিস্তানের পতন
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর এসে বাঙালি তখন স্বাধীনতার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। দেশের মুক্তাঞ্চল ক্রমে বিস্তৃত হচ্ছে, দখলমুক্ত এলাকায় উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা। মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্বার অগ্রযাত্রায় পাকিস্তানি দখলদারদের প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত ভেঙে পড়ছে। যুদ্ধের বাস্তবতা বদলে যেতে থাকায় বিশ্বরাজনীতির মাঠেও পাকিস্তান দিন দিন বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে।
৪ ডিসেম্বর ১৯৭১: বিজয়ের পথে মুক্তিযুদ্ধের মোড় ঘোরানো এক দিন
মুক্তিযুদ্ধের এই দিনের তাৎপর্য ইতিহাসে বিশেষভাবে উজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের পথে মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্বার অগ্রযাত্রা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। একাত্তরের এই দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল মুক্ত হতে শুরু করে। বিজয়ের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে আকাশে-বাতাসে যা যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের আরও অপ্রতিরোধ্য করে তোলে।
ডিসেম্বর আসিলেই যাহাদের চুলকানি বাড়ে
ডিসেম্বর আসিলেই আমাদের দেশে এক অদ্ভুত রোগবালাই মাথা তুলিয়া ওঠে। রোগটি কোনো জৈবিক ব্যাধি নয়, বরং রাজনৈতিক আবহে জন্ম নেওয়া এক মনস্তাত্ত্বিক জ্বর। এই রোগে আক্রান্ত লোকেরা হঠাৎ করিয়াই অতীতকে নতুনভাবে রচনা করে, সংখ্যাকে কাব্য বানায় এবং ইতিহাসকে বাজারে বিক্রির পণ্য ভাবিয়া ফেলে। সাধু ভাষায় বলি—ইহারা ইতিহাসের দোকানদার আর ডিসেম্বর তাহাদের বার্ষিক হালখাতার সিজন।
চিরদিনের মণি
শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকে রচিত একটি প্রেরণামূলক কবিতা এবং একই সঙ্গে তার জন্মদিনে নিবেদিত বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি, যেখানে তার নেতৃত্ব, ত্যাগ, সংগ্রাম ও মুজিব আদর্শের পথচলা কাব্যিক ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।
নেতৃত্ব, ত্যাগ ও আদর্শের প্রতিচ্ছবি বাংলাদেশের যুব রাজনীতির স্থপতি শহীদ শেখ মণি
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও মুজিববাহিনীর অন্যতম রূপকার শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি ছিলেন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, সৃজনশীল ও মেধাবী এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তার ৮৬তম জন্মবার্ষিকে তাকে স্মরণ করছে দেশ।
ভারতে পৌঁছে দেবার প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পাকিস্তানি সেনা ও বিহারীদের হাতে ৪১৩ জনের মৃত্যু
নীলফামারীর গোলাহাটে ১৯৭১ সালের ১৩ জুন পাকিস্তানি সেনা ও বিহারীদের হাতে ট্রেনে তোলা শত শত হিন্দু মারোয়ারিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় যা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নৃশংস গণহত্যা হিসেবে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ।
« প্রথম
আগের
পাতা 5 এর 8.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি