English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
৭ চৈত্র ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
মুক্তিযুদ্ধ
ভাঙচুরের পর দেড় বছরেও সংস্কার হয়নি বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি
বরিশালের ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা খালের তীরবর্তী এলাকা মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ও টর্চার সেল। এখানেই হাজারো মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করে লাশ ফেলা হয়েছিল সাগরদী খালে। স্বাধীনতার পর এলাকাটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বধ্যভূমি হিসেবে স্বীকৃতি পায়। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট ভাঙচুরের পর দেড় বছরেও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
জামায়াত নির্ভর প্রশাসন, ইউনূস সরকার নিরপেক্ষ নয়
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপেক্ষ—এই দাবি যতবার উচ্চারিত হচ্ছে, ততবারই তা বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে উঠছে। ভোলায় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের বক্তব্য— “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো দলের পক্ষে নয়”—রাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করার একটি প্রচেষ্টা হলেও, মাঠপর্যায়ের ঘটনা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের আচরণ সেই বক্তব্যকে সমর্থন করছে না।
ভাগীরথী নদীর তীরে ‘সুইসাইড স্কোয়াড’
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অপারেশন ‘জ্যাকপট’ ও ‘হটপ্যান্টস’ পাকিস্তানি বাহিনীর নৌশক্তিকে কার্যত বিপর্যস্ত করে দেয়। এসব অভিযানের মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ত্বরান্বিত হয়। এই অভিযানের নেপথ্যে ছিলেন বাংলার দামাল ছেলেদের নিয়ে গঠিত এক বিশেষ বাহিনী—নৌ-কমান্ডো দল।
ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ইত্তেফাক
বাংলাদেশের সংবাদপত্র ইতিহাসে এক অনন্য নাম দৈনিক ইত্তেফাক। ১৯৫৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশের পর থেকে আজ পর্যন্ত ৭৩ বছরের পথচলায় পত্রিকাটি বহুবিধ ঝড়-ঝঞ্ঝা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, দমন-পীড়ন এবং নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করেছে। ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত প্রেক্ষাপট, পূর্ব পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক নীতি এবং স্বাধীনতার সংগ্রাম—সবকিছুর মধ্যেই ইত্তেফাক ছিল নির্ভীক কণ্ঠস্বর।
মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপতি এ কে খন্দকার বীর উত্তমের প্রয়াণ
মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপতি, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান ও সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার বীর উত্তম আর নেই। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯৬ বছর।
উগ্রবাদের কালো ছায়ায় আচ্ছন্ন আজ বাংলাদেশ
শঙ্করের মোড়ে লাল ইটের দালান, ভাঙা জানালার ফাঁক দিয়ে আলো ঢুকতে চায়, কিন্তু মেঘের কালো পর্দা তাকে ঠেকায়। ১৯ ডিসেম্বরের ভোরে যেন শোকের ঘণ্টা বাজে, এক অদৃশ্য মঞ্চে শুরু হয় অশুভ নাটক, বাংলাদেশের বুক জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে বেদনার ধ্বনি।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিনষ্ট, রাষ্ট্রের নীরব অবহেলা
মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স—যেখানে একদিন স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের শপথ হয়েছিল, যেখানে উচ্চারিত হয়েছিল রাষ্ট্র গঠনের প্রথম অমর শপথ—আজ সেই পবিত্র ভূমি পড়ে আছে ভাঙচুরের চিহ্নে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য গুঁড়িয়ে দেওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেখানে কোনো সংস্কারের উদ্যোগ নেই। ভাঙা ভাস্কর্যের টুকরো, ধুলোমাখা অবহেলা আর নীরবতা, এটাই আজকের রাষ্ট্রীয় “স্মৃতি।”
নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশ মিশনে সর্বপ্রথম বিজয় দিবস পালন
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে হঠাৎ ফোন এলো এবং তিনি বললেন “আমি আপনাকে সৌদী আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগ দিতে চাই, আপনি রাজী আছেন?” ফোনটি অপ্রত্যাশিত। কারণ আমি রাষ্ট্রদূত বা কোনো পদপদবির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কখনো অনুরোধ করিনি। এগুলো আমার মাথায় কখনো আসেনি।
নয়া বন্দোবস্তের বাংলাদেশে জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে জামাতময় বিজয় উৎসব
বলা হয়ে থাকে শয়তানের জন্য কারাগার রমজান মাস আর রাজাকারদের জন্য ডিসেম্বর! আর এবার নয়া বন্দোবস্তের বাংলাদেশে রাজাকাররাই নেতৃত্ব দিলো দেশ জুড়ে উদযাপিত বিজয় দিবসের। জামাতে ইসলামি এবার এতটা ঔদ্ধত্য ও আড়ম্বরপূর্ণ বিজয় উৎসব উদযাপন করেছে যা দেখে লজ্জা, ঘৃণা অপমানে চুপসে ছিল মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আপমর জনতা।
‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কোনো পরাজিত শক্তি বদলাতে পারবে না’
মহান বিজয় দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ হয়ে উঠেছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ মানুষের এক আবেগঘন মিলনমেলা। দিনভর নানা কর্মসূচি ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে ৫৪তম বিজয় দিবস উদযাপন করেছে সর্বস্তরের মানুষ। রাজনৈতিক বিতর্ক ও ইতিহাস বিকৃতির নানা প্রচেষ্টা উপেক্ষা করেই স্মৃতিসৌধে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কোনো পরাজিত শক্তিই পাল্টে দিতে পারবে না।
« প্রথম
আগের
পাতা 3 এর 9.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি