English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
বিনিয়োগ
কমতে কমতে তলানিতে বিদেশি বিনিয়োগ
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নানা উদ্যোগ নেয়। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় আশিক চৌধুরীকে। ঢাকায় আয়োজন করা হয় বিনিয়োগ সম্মেলন, প্রধান উপদেষ্টা বিভিন্ন দেশ সফরে গিয়ে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। কিন্তু বাস্তবে বিদেশি বিনিয়োগের চিত্র আশানুরূপ হয়নি।
দোসর খোঁজার নামে বিপর্যস্ত বেসরকারি খাত
২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগের পতনের পর সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে দেশের বেসরকারি খাত। বড় শিল্পগোষ্ঠী থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা—সবাই এখন আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, ‘দোসর খোঁজার’ নামে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার করা হচ্ছে বহু শিল্প মালিক ও ব্যবসায়ীকে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিনিয়োগ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে।
চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে
জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিনিয়োগে নতুন জোয়ারের যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, দেড় বছর পর তার কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন নেই। বরং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এখন সময় চাইছে, সম্মেলনের ফল পেতে ‘আরও অপেক্ষা’ করার যুক্তিতে আড়াল করা হচ্ছে ধারাবাহিক ব্যর্থতা। ২০২৪ সালের ৭–১০ এপ্রিল আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রস্তাব এলেও এরপর নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ধারা তৈরি হয়নি।
বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতা
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) বাংলাদেশের জন্য আগামী দুই বছরে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতাকে চিহ্নিত করেছে। সংস্থাটির প্রকাশিত গ্লোবাল রিস্কস রিপোর্ট ২০২৬-এ বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এই ঝুঁকিই সবচেয়ে গুরুতর হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত প্রস্তুতি ও সক্ষমতার ঘাটতিতে এডিপির আকার কমল ১৩ শতাংশ
চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাঝপথে এসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ১৩ শতাংশের বেশি কমিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সংশোধিত এডিপিতে ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ কমিয়ে মোট আকার নামিয়ে আনা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকায়। সবচেয়ে বড় কাটছাঁট পড়েছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে—যে দুটি খাতকে পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকার দীর্ঘদিন ধরে মানব উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।
অর্থনীতির শুভ বছর আসবে কবে?
চব্বিশের আন্দোলনের পর দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার জঞ্জাল সরিয়ে অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত আনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বছর শেষে দেখা যাচ্ছে, সেই প্রত্যাশা বিন্দুমাত্র পূরণ হয়নি। ব্যাংক খাতসহ কিছু ক্ষেত্রে তথাকথিত সংস্কারের প্রলেপ পড়লেও সামগ্রিক অর্থনীতি একদমই স্থবির। প্রত্যাশার ফানুস খুব বেশি উড়তে পারেনি।
বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা
আরও একটি বছর ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো। ২০২৫ বিদায় নিল বাংলাদেশের জন্য এক গভীর অস্বস্তির স্মৃতি নিয়ে। এই বছরটি কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার নয়; বরং সামাজিক নিরাপত্তা, মানবাধিকার, অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক আস্থার একাধিক স্তরে সংকটের প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল। নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন কিছু প্রশ্ন, চ্যালেঞ্জ এবং গভীর শঙ্কাও।
শিল্প-বিনিয়োগে স্থবিরতা, সরকার ধারদেনায়
বাংলাদেশের অর্থনীতি গত দেড় বছর ধরে এক অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা, ঋণ প্রবাহ হ্রাস এবং আমদানি-রপ্তানিতে স্থবিরতা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সমানভাবে চাপে ফেলেছে। শিল্প-বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারের দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতিও অস্পষ্ট।
সরকারি ব্যয় সামলাতে সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ে কাটছাঁট
অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন বছরে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। অর্থ বিভাগের প্রস্তাব অর্থ উপদেষ্টার অনুমোদন পেলেই তা কার্যকর হবে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারি করবে। বর্তমানে সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১.৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৯.৭২ শতাংশ। নতুন প্রস্তাবে গড়ে ০.৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর কথা বলা হয়েছে।
দূর্বল হয়ে পড়ছে অর্থনীতির প্রধান চার খাত
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতি আবারও কমেছে। বাংলাদেশ পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স–পিএমআই অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে সামগ্রিক পিএমআই স্কোর দাঁড়িয়েছে ৫৪। যা অক্টোবরের তুলনায় ৭ দশমিক ৮ পয়েন্ট কম। অক্টোবরের স্কোর ছিল ৬২ দশমিক ৮। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি–এমসিসিআই এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের যৌথ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
পাতা 1 এর 4.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি