English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ‘তাড়াহুড়ো’ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য হুমকি
বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ সময়ে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন ও সম্প্রচার কমিশন গঠনের লক্ষ্যে খসড়া অধ্যাদেশ প্রকাশের সিদ্ধান্তকে ‘তাড়াহুড়ো’ ও ‘উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছে লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আর্টিকেল ১৯। সংগঠনটি সতর্ক করেছে, এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও আইনি যথাযথতা উপেক্ষা করে এগোলে তা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
বাংলাদেশে সাংবাদিকতা সর্বগ্রাসী আতঙ্কে নিমজ্জিত
বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখন এক ধরনের সর্বগ্রাসী ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার ‘দ্য লিসেনিং পোস্ট’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও স্বাধীন চিন্তার পরিসর বাড়লেও একইসঙ্গে সাংবাদিকদের মধ্যে স্থায়ী আতঙ্ক কাজ করছে।
গণমাধ্যম কমিশন ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের ‘বিদায়ী পরিহাস’
খসড়া ‘জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’ ও ‘সম্প্রচার কমিশন’ অধ্যাদেশকে দেশে মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সম্প্রচার বিকাশের প্রত্যাশার পরিপন্থী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ‘বিদায়ী পরিহাস’ হিসেবে অভিহিত করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির অভিযোগ, দীর্ঘদিনের সংস্কার দাবি উপেক্ষা করে সরকার তড়িঘড়ি করে এমন দুটি নিয়ন্ত্রণমূলক কাঠামো আনতে চাইছে, যা গণমাধ্যম খাতে আমলাতান্ত্রিক প্রভাব আরও বাড়াবে।
আরো একটি কালো আইন আনছে অন্তর্বর্তী সরকার
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই দ্রুতগতিতে আনা হচ্ছে নতুন ‘সম্প্রচার অধ্যাদেশ, ২০২৬’। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া আইনে সম্প্রচার–সংক্রান্ত অপরাধের বিচার মাত্র ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে এবং এজন্য গঠন করা হবে এক বা একাধিক ‘সম্প্রচার ট্রাইব্যুনাল’। তবে আইনটির নানা ধারা নিয়ে গণমাধ্যমকর্মী, অধিকারকর্মী ও নীতিনির্ধারক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কথার কাঁটা ও চুলের চিৎকার: একখানা রূপক-রসগল্প
বাংলাদেশে এখন কথার রূপক বাড়িয়াছে ব্যাপকভাবে। মুখে এক কথা, মনে আরেক ভাব। ফলে সাধারণ মানুষ কথার অর্থ বুঝিতে বুঝিতে গলদঘর্ম। কথার কূল পাইতে না পাইতেই মাথা চুলকাইয়া চুল খসাইতেছে। ইহাতে লাভবান হইতেছে শুধু চুল গজানোর তেল ও শ্যাম্পু কোম্পানিগুলা।
নির্বাচনের কেন্দ্রবিন্দুতে মানবাধিকার সুরক্ষার আহ্বান
বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে মানবাধিকার সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বরাবরে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, বাংলাদেশের সকল মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে এখনও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেই দেশে ফিরবো
আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ভারতের সংবাদমাধ্যম জি–২৪ ঘণ্টাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে সংবিধানসম্মত শাসনব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং মব-সন্ত্রাস ও গণগ্রেফতার দেশকে গভীর সংকটে ঠেলে দিয়েছে।
প্রেস সচিবের আহ্বান বিফল হওয়াই প্রমাণ করে সরকার হামলা হতে দিয়েছে: নুরুল কবীর
সম্প্রতি দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো কার্যালয়ে সংঘটিত হামলাকে ‘পরিকল্পিত ও সংগঠিত সহিংসতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীর। তার দাবি, সরকার হয় ইচ্ছাকৃতভাবে এই হামলাগুলো ঘটতে দিয়েছে, নয়তো সেগুলো ঠেকাতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
ঢাকায় ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন টাস্কফোর্সের সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেসরকারি অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান ‘ভয়েস’ আয়োজিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন টাস্কফোর্সের একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দেশের বর্তমান মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং সাংবাদিক, অধিকারকর্মী ও অংশগ্রহণকারীদের জন্য কার্যকর সমন্বয় ও নেটওয়ার্ক গড়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।
গণমাধ্যম সম্মিলনে ঐক্যের ডাক, সাংবাদিক সুরক্ষার জোরালো দাবি
স্বাধীন ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশের গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির জন্য অপরিহার্য—এমন অভিমত ব্যক্ত করে সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমের প্রকাশক, সম্পাদক ও সাংবাদিকরা। তারা বলেছেন, স্বাধীন গণমাধ্যম কারও শত্রু নয়; বরং এটি সরকারকেই সত্য বলার সুযোগ করে দেয়। কিন্তু সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন, রাজনৈতিক প্রভাব এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে গণমাধ্যম আজ সংকটে পড়েছে।
পাতা 1 এর 9.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি