English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
৮ চৈত্র ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
গণতন্ত্র
‘৮০ শতাংশ মুসলমানের দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’
বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীর এক নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বক্তব্যে বলা হয়, ‘৮০ ভাগ মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না।’ এই মন্তব্য ঘিরে এলাকায় ও অনলাইনে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজনৈতিক দলগুলো আইনকে নিজেদের সুবিধামতো ব্যবহার করে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো আইন মানতে ব্যর্থ হয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার জেসমিন টুলি। তার মতে, দলগুলো আইনকে নিজেদের সুবিধামতো ব্যবহার করে, কিন্তু যখন আইন তাদের বিপক্ষে যায় তখন তা মানতে চায় না। এই প্রবণতা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার উৎখাত ও আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়ার দাবি
ভারতে নির্বাসিত জীবনে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য রাজনৈতিক ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ চালিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ইউনূসকে ‘খুনি ফ্যাসিস্ট’, ‘মহাজন’, ‘অর্থপাচারকারী’ ও ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছেন, ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ভয়, নৈরাজ্য ও গণতন্ত্রের নির্বাসনের যুগে প্রবেশ করেছে।
অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থেকে দৃষ্টি সরাতে দক্ষিণ এশিয়ায় ঘৃণার রাজনীতি
দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাসীন নেতারা জনরোষ থেকে দৃষ্টি সরাতে ঘৃণার রাজনীতিকে ব্যবহার করছেন এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ডেপুটি এশিয়া পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি। ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইন-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি বলেন, পক্ষপাতহীন বিচার ও মানবাধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থ হলে সেই ঘৃণা একদিন জনরোষে রূপ নিয়ে নেতাদের ক্ষমতাকেই বিপন্ন করতে পারে।
লেবাসের লীলাখেলা: জামায়াতের জান্নাতি জিঙ্গেল
বাংলাদেশে যখন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা তাহাদের ঈমান রক্ষার্থে রোজা রাখেন, তাহাদের ভোট রক্ষার্থে জামায়াত রাখে ফতোয়া। এই দলটি ইসলামের ঝান্ডা হাতে ধরিয়া এমনভাবে হাঁটে, যেন তাহারা নবীজির উত্তরাধিকারী অথচ পেছনে লেবাসের পুটলি খুলিয়া স্বার্থের সিঁড়ি বানায়।
অন্তর্ভুক্তিমূলক না হলে নির্বাচন গণতান্ত্রিক নয়
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সের চারজন এমপি। তারা বলেছেন, সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না।
ভোটে নারী প্রার্থী মাত্র ৪ শতাংশ হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা আশানুরূপ না হওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়নবিষয়ক ৭১টি সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’। প্ল্যাটফর্মটির মতে, নির্বাচনি রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ অত্যন্ত কম, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের পথে বড় অন্তরায়।
আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে
বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত সংবেদনশীল। সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বড় দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ইউনূস সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দিচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের কোন প্রচেষ্টা নেই। ফলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক মানে সবার অংশগ্রহণ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান ড. ইভারস আইজাবস বলেছেন, “অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে সবার অংশগ্রহণকে বোঝায়।” তবে গণভোট আয়োজন বা তা পর্যবেক্ষণ ইইউর ম্যান্ডেটের বাইরে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইইউ কেবল সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
জুলাই চেতনা মানে যেন ‘নো উইমেন, নো ক্রাই’ গণতন্ত্র
জুলাইয়ের সহিংসতায় নারীদের রাখা হয়েছিল সামনের সারিতে—রাস্তায়, মিছিলে, সংঘাতে। অথচ সেই তথাকথিত আন্দোলনের রাজনৈতিক ফলাফল হিসেবে যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে, সেখানে নারীরাই অদৃশ্য। যেন তাদের ব্যবহার করে স্বার্থোদ্ধারের পর ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে। প্রশ্নটা তাই অনিবার্য, ভোটের মাঠে নারী কোথায়? রাজনৈতিক দলগুলো কি জুলাইয়ে দেয়া আশ্বাস রেখেছে?
« প্রথম
আগের
পাতা 5 এর 13.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি