English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
৭ চৈত্র ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
জ্বালানি সংকট
এক চিরস্থায়ী হাহাকারের উপাখ্যান
হে বঙ্গবাসী, আজিকার এই ঘোর কলিকালে বসিয়া যখন আমি আমার জীর্ণ ছাতাটি বগলে চাপিয়া বাজারের ভিড়ে কিংবা চায়ের দোকানের ধোঁয়ায় মুখ লুকাই, তখন এক পরম কৌতুকপ্রদ দৃশ্য আমার নয়নগোচর হয়। আপনারা যাহাকে ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করিয়াছেন বলিয়া আস্ফালন করেন, দেখা যাইতেছে— প্রতি সূর্যোদয়ে আপনারা তাহাকেই সযত্নে ফিনিক্স পাখির ন্যায় ভস্ম হইতে জাগাইয়া তুলিতেছেন।
সংকটে দেশের জন্য কার্যকর প্রমাণিত শেখ হাসিনার উদ্যোগ
দেশের জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে আবারও কার্যকর হিসেবে সামনে এসেছে বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইন প্রকল্প, যা একসময় তীব্র সমালোচনা ও গুজবের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। অথচ বাস্তবতা বলছে, আজ সেই পাইপলাইনই দেশের উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে অর্থনীতি, কৃষি ও পরিবহন খাত সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এলএনজি সরবরাহেও যুক্তরাষ্ট্রের দিকেই ঝুঁকছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে দেশের মোট উৎপাদিত গ্যাসের ৫৬ শতাংশই উত্তোলন করছে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন। পাশাপাশি এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনাতেও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানিগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ।
হরমুজ প্রণালিতে আটকে বাংলাদেশের চার জাহাজসহ ১৪৬ নাবিক-ক্রু ঝুঁকিতে
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের বিধিনিষেধ শিথিল করলেও বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজগুলো এখনও পার হতে পারছে না। বর্তমানে ওই অঞ্চলে বাংলাদেশের চারটি জাহাজ আটকে আছে, যেগুলোর সব নাবিক-ক্রু বাংলাদেশি। এছাড়া আশপাশে আরও কয়েকটি বিদেশি মালিকানাধীন জাহাজে কর্মরত আছেন বাংলাদেশি নাবিকরা। সব মিলিয়ে মোট ৯টি জাহাজে ১৪৬ জন বাংলাদেশি নাবিক-ক্রু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
তেল না পেয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক ও চালকরা
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সরকার পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিলেও দেশের বিভিন্ন জেলায় এখনও স্বাভাবিক হয়নি জ্বালানি সরবরাহ। রাজশাহী ও সাতক্ষীরাসহ কয়েকটি জেলায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের সংকট অব্যাহত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে সেচ পাম্প চালাতে ডিজেল না পেয়ে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় আছেন কৃষকরা।
বিকল্প উৎসের খোঁজে মরিয়া সরকার
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফিলিং স্টেশনে প্রতিদিনই জ্বালানি নিতে দীর্ঘ লাইন। প্রতিদিনই বাকবিতণ্ডা এবং বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সরকার বলছে, আপাতত জ্বালানি সংকট নেই, তবে মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটছে না। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশও চাপের মুখে পড়েছে।
জ্বালানি সংকটে ভারতের কাছেই আনুষ্ঠানিকভাবে সহায়তা চাইল বাংলাদেশ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বুধবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-র সঙ্গে বৈঠক শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
নিরাপত্তা না দিলে পেট্রোল পাম্প বন্ধ করে দিবেন মালিকরা
দেশজুড়ে জ্বালানি তেল সরবরাহে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর পর পেট্রোল পাম্পগুলোতে অস্থিরতা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে পাম্প মালিকরা দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত ও তেল সরবরাহ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পাম্প পরিচালনা বন্ধের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
বাংলাদেশকে জ্বালানি সহায়তা দিতে আগ্রহী ভারত ও চীন
বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ও চীন যৌথভাবে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-র সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা এই তথ্য জানান।
যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ঘাটতি, তেল সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন
দেশের বিভিন্ন জেলায় জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চালকরা তেল পাচ্ছেন না। কোথাও ‘তেল নাই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলছে, আবার কোথাও সীমিত পরিসরে বিক্রি হচ্ছে। এতে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও নৌযান চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
পাতা 1 এর 4.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি