English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বুধবার, ৬ মে ২০২৬
২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
সমুদ্রসীমা
“শেখ হাসিনা কি ভারতের আজ্ঞাবহ না ভারতবিরোধী?”
বাংলাদেশের রাজনীতির মঞ্চে আজ এক অদ্ভুত নাটক চলিতেছে। একদল সমালোচক বলিতেছে শেখ হাসিনা ভারতের আজ্ঞাবহ; অপরদল বলিতেছে তিনি ছিলেন ভারতের চোখে চোখ রাখিয়া দাঁড়াইবার একমাত্র সাহসী নেতা। সত্য কথা হইল, উভয় পক্ষই আংশিক সত্য বলিতেছে, আবার উভয় পক্ষই আংশিক মিথ্যা বলিতেছে। কারণ হাসিনার কূটনীতি ছিল এমন এক জাদুকরী নাটক, যেখানে ভারত হাসে, চীন হাসে আর বাংলাদেশের অর্থনীতি নিরবে বিকশিত হয়।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তঃ যে দিন বদলে গিয়েছিল আমাদের জ্বালানি খাতের ভাগ্য
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরে জ্বালানি খাতে যে সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন— ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট শেল ওয়েল থেকে নামমাত্র মূল্যে পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়া— তা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত্তি গড়ে দেয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত, অর্থশূন্য এবং বহুমাত্রিক সংকটে থাকা দেশেও তিনি বুঝেছিলেন শিল্পায়ন ও উন্নয়নের প্রথম শর্ত সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই পথেই সমুদ্রসীমা জয় করে ব্লু ইকোনমি ও অফশোর তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের রূপরেখা দেন। অথচ ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতার পালা বদলে বহুজাতিক কোম্পানির আগ্রহ হারিয়ে যায়। এখন জাতীয় সম্পদ রক্ষায় জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ জরুরি।
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি