দেশের জ্বালানি বাজারকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে, সরকার-নিয়ন্ত্রিত একটি সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে প্রভাব বিস্তার করছে। তবে সরকার পক্ষ এ অভিযোগ নাকচ করে বলছে, দেশে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক আছে।
বর্তমানে সরকার নির্ধারিত দামে পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে নির্দিষ্ট হারে। তবে “লিটার প্রতি ১৫০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে”—এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজধানী ও বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝে মাঝে পেট্রোল পাম্পে ভিড় এবং সরবরাহে চাপের চিত্র দেখা গেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—সরকারের “পর্যাপ্ত মজুত” দাবির সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল কতটা।
চরম জ্বালানী সংকট দেখিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা বানিজ্যের অভিযোগ। বিশ্লেষকরা মনে করেন জ্বালানীর কৃ্ত্রিম সংকটের পর খাদ্যে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা চলছে।
বিএনপির মন্ত্রী এমপি ও নেতারা এই সংকট তৈরির পেছনে ভূমিকা রাখছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো তথ্যের দ্বৈততা। একদিকে সরকার বলছে মজুত পর্যাপ্ত, অন্যদিকে মাঠপর্যায়ে দেখা যাচ্ছে ভিড়, চাপ এবং মূল্য নিয়ে অভিযোগ। এই বৈপরীত্যই জনমনে অবিশ্বাস তৈরি করছে।